দিনাজপুর বোচাগঞ্জ থানার সুবিদহাট দাসপাড়ার শেষপ্রান্তে পুল-সংলগ্ন এলাকায় একটি মন্দির স্থাপনকে কেন্দ্র করে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, পূর্বে ফায়ার সার্ভিস-সংলগ্ন কালীমন্দির অপসারণের পর সেটি দাসপাড়া এলাকায় পুনঃস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রায় ৬ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয় এবং তৎকালীন সংসদ সদস্য অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা সহায়তা করেন। তবে অভিযোগ ওঠে যে, দাসপাড়ায় মন্দিরটি পুনঃস্থাপন না করে সুধীর নামে এক ব্যক্তি মুসলিম পাড়ার নিকটবর্তী স্থানে নির্মাণকাজ শুরু করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় মুসল্লিরা আপত্তি জানাতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে মন্দিরটি পূর্বনির্ধারিত দাসপাড়া এলাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়।
ঘটনাস্থলে সেতাবগঞ্জ থানার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রশাসনের উদ্যোগে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান হয় এবং মন্দিরটি পুনরায় নির্ধারিত আগের স্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সকল পক্ষকে শান্তি, সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।